মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও নারীদের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক হামলা, বসতবাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনোত্তর সহিংসতার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, নারীদের হয়রানি করা হয়েছে এবং আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নানা অনিয়ম, ভয়ভীতি ও প্রশাসনিক পক্ষপাতের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, শেফায়ত উল্লাহ চক্ষু, ফৌজুল কবির ফজলু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুরুল কবির, জসিম উদ্দিন আব্দুল্লাহ, আবু সেলিম চৌধুরী, এটি এম জাহেদ চৌধুরী, বিএনপি নেতা দিদারুল হক চৌধুরী এবং লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাব্বির আহমদ।
বক্তারা অবিলম্বে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সহিংসতা ও প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই; বরং এসব কর্মকাণ্ড জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।
লোহাগাড়া সদরস্থ হোটেল মাশাবী-এর হলরুমে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় ও জাতীয় প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় দৃঢ় কণ্ঠ—যা নির্বাচন পরবর্তী বাস্তবতার এক করুণ দলিল হয়ে রইল।