লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীরহাট ফেরিঘাট এলাকা থেকে অবৈধভাবে পাচারের সময় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ৩০০ বস্তা সার জব্দ করেছে প্রশাসন। সোমবার বিকেলে এক ঝটিকা অভিযানে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার ভর্তি টিএসপি ও ডিএপি সারসহ এই চক্রের এক সদস্যকে হাতেনাতে ধরা হয়।
মজুচৌধুরীরহাট এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে ভোলা ও বরিশালে সার পাচারের ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাশ ফেরিঘাট এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালে সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ট্রলারটি জব্দ করা হয়। এ সময় পাচারকারী চক্রের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত দেলোয়ার হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
একই সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্মীপুরের এই নৌ-রুট ব্যবহার করে বিএডিসির ভর্তুকিযুক্ত সার ভোলা ও বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে আসছিল। এর ফলে স্থানীয় বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির আশঙ্কা তৈরি হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাশ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেন এই পাচারকারী চক্রের অন্যতম মূল হোতা। তিনি আরও বলেন, “নদীপথে সার পাচার রোধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ তৎপরতা বন্ধে কৃষি অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”
প্রশাসনের এই অভিযানের পর থেকে ফেরিঘাট এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।