বাঘারপাড়া প্রতিনিধি ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদ আবাসিক এলাকার একটি ফ্লাটে দরজার হ্যাসবোর্ড কেটে ৪০হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এ ঘটনা
ঘটেছে। কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেও এর আগে অনেকবার চুরির ঘটনা ঘটলেও কোনো রহস্য উদঘাটন
করতে পারেননি প্রশাসন। তবে চুরি ঠেকাতে পরিষদের সকল পকেট গেট বন্ধ করবেন বলে জানান নির্বাহী অফিসার।
উপজেলার আবাসিক এলাকায় দুই ইউনিটের পঁাচটি কোয়ার্টারে ২০টি পরিবার বসবাস
করতে পারেন। এর মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনের পশ্চিম পাশেরটি গেজেটেড
কোয়ার্টার। যা ‘পদ্মা ভবন’ নামে পরিচিত। এর নিচ তলার একটি ইউনিটে বসবাস করেন নির্বাহী
অফিসারের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা খালেদা পারভিন। বুধবার চোর তঁার মুল দরজার
হ্যাসবোর্ড কেটে শয়ন কক্ষে রাখা ৪০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
খালেদা পারভিন জানান, স্বামী-স্ত্রী দুইজন এবং এক আত্মীয় এ বাসায় থাকেন। স্বামী ঢাকায় ও আত্মীয়
বাড়িতে যাওয়ায় তিনি একাই বাসায় ছিলেন। এদিন সকাল ৯টায় বাসায় তালা দিয়ে অফিসে যান এবং
দুপুর দেড়টার দিকে বাসায় এসে দেখেন, দরজার হ্যাসবোর্ড কাটা। ঘরে ঢুকে দেখতে পান শয়ন কক্ষের
বিছানাপত্র ছড়ানো-ছিটানো ও আলমিরার তালা ভাঙ্গা। এ আলমিরা থেকেই মঙ্গলবার তোলা বেতনের
৪০হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছে চোর। তিন বেড রুমের এ বাসার অন্য কক্ষগুলোর মালামাল যথাস্থানে
আছে।
খেঁাজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে ২০১৩ সালে মেঘনা ভবনে এবং ২০১৮ সালে বেতনা ভবনে চুরির
ঘটনা ঘটে। সেসময় থানায় এ নিয়ে অভিযোগও দেওয়া হয়। কিন্তু চোর সনাক্তে পুলিশ বা উপজেলা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার বলেন, উপজেলা পরিষদে দুটো পকেটগেটসহ পাঁচটি গেট আছে। জনস্বার্থে সবকটি গেটই প্রয়োজনিয়। একই সাথে কোয়ার্টারে অবস্থানরত অফিসারদের স্বার্থ দেখার দায়িত্বও নির্বাহী অফিসারের। তাই সবার সাথে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে,
পরিষদে কয়টি গেট থাকবে। তিনি আরও বলেন, চুরির বিষয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।