1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ঘুষের টাকা দিতে না পারায় জেলের গরু অন্যের গোয়ালে - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাসিরনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী রাজিব খানের গণসংযোগ বৃহৎ আকারে ‘কলমাকান্দা জামদানি পল্লী’ গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র : ডেপুটি স্পিকার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পাবনা জেলা প্রশাসক শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শ্যামনগরে নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্যোগে সাড়া প্রদান বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রাজশাহীতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

ঘুষের টাকা দিতে না পারায় জেলের গরু অন্যের গোয়ালে

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৮১ জন খবরটি পড়েছেন

বাগেরহাট থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে সরকারি প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দকৃত গরু ঘুষের টাকা দিতে না পারায় এক দরিদ্র জেলের কপালে জোটেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিকাভুক্ত ওই জেলের নামে বরাদ্দ হওয়া গরুটি অন্য এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরের পর বিক্রির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

উপজেলার নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নের ডহর মৌভোগ গ্রামের জেলে তারাপদ বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় তার নামে একটি গরু বরাদ্দ ছিল। কিন্তু স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতা ‘অফিস খরচ’ বাবদ ১০ হাজার টাকা দাবি করলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। এর ফলে ২৩ ফেব্রুয়ারি তার নামে বরাদ্দকৃত গরুটি তাকে না জানিয়েই অন্যকে দিয়ে দেওয়া হয়।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বরাদ্দকৃত ওই গরুটি বর্তমানে একই ইউনিয়নের অন্য এক ব্যক্তির গোয়ালে রয়েছে। ওই পরিবার স্বীকার করেছে যে, ৪ হাজার টাকার বিনিময়ে তারা মৎস্য অফিস থেকে গরুটি সংগ্রহ করেছেন। গরু নেওয়ার সময় তালিকায় ভুক্তভোগী জেলের নাম থাকলেও সেখানে জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, শুধু তারাপদ বিশ্বাস নন, ওই দিন বিতরণ করা ৬০টি গরুর মধ্যে আরও বেশ কয়েকজনের ক্ষেত্রে একই ধরনের অনিয়ম হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও উল্টো ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আসাদুল্লাহ জানিয়েছেন, তারাপদ বিশ্বাসের ‘ছেলে’ পরিচয় দিয়ে একজন আসায় তাকে গরুটি দেওয়া হয়েছিল। তবে পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে গরু হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রমাণ মিললে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar