1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না!

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৬ জন খবরটি পড়েছেন

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

।। ফাইল আটকে অর্থ দাবির অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।।

বাঘারপাড়া প্রতিনিধি ।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে সেবা নিতে গিয়ে শিক্ষকদের হয়রানি ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশিকুজ্জামানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ফাইল নানা অজুহাতে আটকে রেখে অর্থের বিনিময়ে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। এ নিয়ে একাধিক শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের ৩ জুন অভয়নগর উপজেলা থেকে সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে বদলি হয়ে বাঘারপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে যোগদানের পর থেকেই অফিসের কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, অর্থ ছাড়া অনেক ফাইলের কাজ এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

শিক্ষকদের ভাষ্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টাইম স্কেল, বিএড স্কেল, নতুন এমপিওভুক্তি, বকেয়া ও এরিয়ার বিলসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ফাইলের কাজ নিয়ে নিয়মিত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যেতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, ফাইলের ধরন অনুযায়ী এসব কাজের জন্য এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মোবাইল ফোনে ডেকে এনে অর্থ চাওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

বাঘারপাড়া উপজেলায় ৪৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩২টি মাদ্রাসা ও ১৩টি কলেজসহ মোট ৯৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ওপর নির্ভর করতে হয়।

‘টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখার ভয়’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও অর্থ না দিলে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। আবার অর্থ দেওয়া হলে দ্রুতই সেই ফাইলের কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়।

একজন শিক্ষক বলেন, “ফাইল ঠিক থাকার পরও টাকা না দিলে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। টাকা দিলে আবার দ্রুত কাজ হয়ে যায়। টাকা দিতে না চাইলে ফাইল বাতিল বা ফেরত পাঠানোর ভয় দেখানো হয়।”

আরেক শিক্ষক বলেন, বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ নিয়ে অফিসে গেলে অর্থ দিতে হয়—এমন একটি ধারণা শিক্ষকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে টাইম স্কেল, বিএড স্কেল, নতুন এমপিও, বকেয়া ও এরিয়ার বিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষেত্রে তারা চাপের মধ্যে থাকেন।

অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সরাসরি অফিসে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির বিনিময়ে অর্থ দাবি করা হয় বলেও অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

বন্ধ মাদ্রাসা ‘চালু’ দেখিয়ে প্রত্যয়নের অভিযোগ

অভিযোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বাঘারপাড়া পৌরসভার একটি মাদ্রাসাকে ঘিরে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২০ বছর ধরে কার্যত বন্ধ। সেখানে নিয়মিত পাঠদান তো দূরের কথা, বর্তমানে শিক্ষার্থীও খুঁজে পাওয়া যায় না।

অথচ সম্প্রতি ওই মাদ্রাসার পক্ষে প্রতিষ্ঠানটি চালু রয়েছে এবং সেখানে শিক্ষার্থী রয়েছে—এমন মর্মে প্রত্যয়ন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রত্যয়নকে কেন্দ্র করে বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগকারীদের দাবি। তাদের অভিযোগ, এ ঘটনায় লাখ টাকার আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, দীর্ঘদিনের একটি বন্ধ প্রতিষ্ঠানকে কাগজে-কলমে সক্রিয় দেখিয়ে প্রত্যয়ন দেওয়া হয়ে থাকলে বিষয়টি শুধু আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সীমাবদ্ধ থাকে না; এতে শিক্ষা প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন ওঠে।

কেনাকাটা ও অফিসে উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন

ফাইল নিষ্পত্তির বিনিময়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগের পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন কেনাকাটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

তাদের অভিযোগ, অফিসের বিভিন্ন কেনাকাটার জন্য বরাদ্দ আসার পর নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনা হয় না। বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে—এমন অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ।

এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশিকুজ্জামানের নিয়মিত ও নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ নিয়ে শিক্ষকরা অফিসে এসে অনেক সময় কর্মকর্তাকে না পেয়ে ফিরে যান।

এর আগেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

কর্মকর্তার দাবি, ‘অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’

এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আশিকুজ্জামানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সঠিক নয় বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ “মিথ্যা ও ভিত্তিহীন”।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar