নিউজ ডেস্ক
বুধবার (১৪ অক্টোবর), ২০২৬
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
আগামী বছরের ২৭ মে’র মধ্যে পাঁচ ধাপে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপে প্রায় ৮০০ ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ধাপভিত্তিক নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা সদরসংলগ্ন এলাকাগুলোতে আগে এবং পরে উপজেলা সদরের কাছাকাছি ইউনিয়নগুলোতে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয় সহজ হবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মানদণ্ড অনুযায়ী ভালো নির্বাচন করার প্রচেষ্টা থাকবে আমাদের। কোনো পক্ষের প্রতি বিশেষ বিবেচনা না করে অপরাধে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনে মারামারি, বিশৃঙ্খলা বা পেশিশক্তির ব্যবহার বরদাশত করা হবে না। কোনো প্রার্থী এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।”
গত সোমবার কমিশন সভা শেষে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনী অপরাধ ও শাস্তির বিধান
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত নির্বাচন বিধিমালার ৮০(ক) বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী বা গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের কাজে বাধা দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া ভোটারদের বাধা দেওয়া কিংবা প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিলে বাধা দিলে অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
কোনো ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম বা কারসাজি প্রমাণিত হলে কমিশন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করতে পারবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনে ওই কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতাও কমিশনের রয়েছে। নির্বাচনী অপরাধ পর্যবেক্ষণে প্রতিটি এলাকায় মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে।