1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নববর্ষে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের অঙ্গীকারের ডাক প্রধান উপদেষ্টার - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন

নববর্ষে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের অঙ্গীকারের ডাক প্রধান উপদেষ্টার

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৪৩ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই সুযোগ যেন আমরা হারিয়ে না ফেলি।”

নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস নববর্ষকে নতুন বাংলাদেশের প্রথম নববর্ষ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আসুন, বিগত বছরের গ্লানি ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে এগিয়ে চলি। চলুন, নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।”

তিনি নববর্ষকে বাঙালির সম্প্রীতি ও মহামিলনের দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আজকে সবাইকে আপন করে নেওয়ার দিন। এটি বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। সারা বিশ্বে থাকা বাঙালিদের জন্যও এটি আনন্দের দিন।”

সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার জন্য সবাইকে সক্রিয় হতে হবে।”

তিনি বাংলা সনের উৎপত্তি প্রসঙ্গে বলেন, এটি শুরু হয়েছিল কৃষিকাজের সুবিধার জন্য ‘ফসলি সন’ হিসেবে। “এখনো আমাদের কৃষকরা বাংলা তারিখের হিসেবেই চাষাবাদের কাজ পরিচালনা করেন,” বলেন তিনি।

‘হালখাতা’ ও বৈশাখী মেলার ঐতিহ্যকেও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বলেন, “দেশজুড়ে উদ্যোক্তারা শীতল পাটি, মাটির হাঁড়ি-পাতিল, খেলনা, হাতপাখা প্রভৃতি তৈরি করে নিজেদের সৃজনশীলতাকে তুলে ধরেন এই উপলক্ষে।”

তিনি আরও জানান, এ বছর পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও বড় পরিসরে নববর্ষ উদযাপন করছে।

দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “নববর্ষ ১৪৩২ আমাদের সকলের জন্য নতুন ও গভীর আনন্দের উন্মোচন করুক।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar