1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বিভাগীয় মামলা ছাড়াই চাকরিচ্যুতির অধ্যাদেশ জারি সচিবালয়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন

বিভাগীয় মামলা ছাড়াই চাকরিচ্যুতির অধ্যাদেশ জারি সচিবালয়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫
  • ৯৯ জন খবরটি পড়েছেন

ঢাকা, ২৫ মে: চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা ছাড়াই সরকারি কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে সরকার। রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেন। অধ্যাদেশের খসড়া উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের পর থেকেই সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ করছেন। এই অধ্যাদেশ জারির পর তাদের আন্দোলন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

নতুন অধ্যাদেশে ‘সরকারি কর্মচারীদের আচরণ ও দণ্ড সংক্রান্ত বিশেষ বিধান’ শিরোনামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি অনানুগত্য সৃষ্টি, শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা, কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দেওয়া, ছুটি ছাড়া কর্মে অনুপস্থিত থাকা, অন্যকে অনুপস্থিত থাকতে উসকানি দেওয়া বা কর্তব্য পালনে বাধাগ্রস্ত করার মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন, তাহলে তাকে ‘অসদাচরণের দায়ে’ দণ্ডিত করা হবে। দণ্ডের মধ্যে রয়েছে নিম্নপদে অবনমিতকরণ, অপসারণ অথবা চাকরি থেকে বরখাস্ত করা।

অধ্যাদেশে অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াও স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠিত হলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি অভিযুক্তকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেবেন। অভিযুক্তের ব্যক্তিগত শুনানি গ্রহণের সুযোগ থাকবে। কারণ দর্শানোর পর বা শুনানির শেষে যদি অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে দণ্ড আরোপ করা হবে। এমনকি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত কারণ না দর্শালেও দণ্ড কার্যকর হতে পারে। নোটিশ জারির ক্ষেত্রে অভিযুক্তের কাছে সরাসরি, বাসস্থানের দৃষ্টিগোচর স্থানে, দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে অথবা ই-মেইলে পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে।

তবে, এই ধারার অধীনে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী দণ্ড আরোপের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল কর্তৃপক্ষ আদেশ বহাল, বাতিল বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখবে। রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ না থাকলেও, দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুনর্বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট আবেদন করতে পারবেন। রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তই এক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

সরকারের এই উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদে রোববার সচিবালয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ করেছেন কর্মচারীরা। তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছে সচিবালয়ের বাইরের কর্মচারীরাও। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি এই আইন সংশোধন করা হয়, তাহলে উপদেষ্টাদের সচিবালয়ে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar