পাবনা সংবাদদাতা।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
পাবনা সদর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার জেরে অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ও মঙ্গলবার তাঁদের মৃত্যু হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত ব্যক্তিরা হলেন স্থানীয় বাসিন্দা সুমন শেখ, সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং সাপু। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন ভাড়ারা এলাকার পদ্মা নদী থেকে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৪ জুন দাফন শেষে উত্তেজিত জনতা ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্ত নাইম প্রামানিকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বাড়িতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আশপাশে থাকা প্রতিবেশী ও উৎসুক জনতা দগ্ধ হন। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় অভিযুক্ত পরিবারের কোনো সদস্য বাড়িতে ছিলেন না।
এর আগে, স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ৪ জুন তাঁর ভাই বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ মূল অভিযুক্ত নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত বাকি দুজন হলেন ইয়াছিন শেখ ও তুহিন প্রামানিক। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।