1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৩৫ লাখ টাকা আত্মসাত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবর রহমান ৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাসিরনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী রাজিব খানের গণসংযোগ বৃহৎ আকারে ‘কলমাকান্দা জামদানি পল্লী’ গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র : ডেপুটি স্পিকার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পাবনা জেলা প্রশাসক শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শ্যামনগরে নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্যোগে সাড়া প্রদান বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ

৩৫ লাখ টাকা আত্মসাত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ১০৪ জন খবরটি পড়েছেন

ফরিদ আহমেদ, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সরকারি ভূমি হস্তান্তর কর এর ১% প্রায় বরাদ্দের ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাত এর অভিযোগ এনে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের নয় সদস্য চেয়ারম্যান এম আর মুজিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন।

পরিষদের সদস্য মোঃ আহসান হাবীব, সোহেল রানা, মোহাম্মদ ইকবাল ইসলাম, সংরক্ষিত আসনের সদস্য রুকসানা পারভীন , মোহাম্মদ বশির, মাসুদ মিয়া, ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া,মোঃ লিটন মিয়া ও মোঃ হুমায়ুন কবির শাহিন গত বৃহস্পতিবার (১৮/০৬) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অনাস্থা প্রস্তাবটি নির্বাহী অফিসারের কাছে দাখিল করেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম অনাস্থা প্রস্তাবটি প্রাপ্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।অবশ্য চেয়ারম্যান এম আর মুজিব এ অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক ও ভিত্তিহীন দাবী করে তা অস্বীকার করেছেন।

সুত্র জানায়,শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে প্রদেয় নগদ ৩৫ লাখ টাকার পুরোটা পরিষদের কোনো সদস্যকে না জানিয়ে চেয়ারম্যান মুজিব বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে ব্যাংক থেকে পুরো টাকা তুলে নিজেই আত্মসাৎ করেন। অনাস্থা প্রস্তাবের সঙ্গে দাখিল করা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবীনগর শাখার স্টেটমেন্টেও দেখা যায়,২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯টি কথিত প্রকল্পের নামে অর্থ উত্তোলন করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে পাস না করেই চেয়ারম্যান এককভাবে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবী করেন ওই নয় সদস্য। তারা বলেন,স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সাধারণত পরিষদের সভায় রেজুলেশন অনুমোদন এবং সদস্যদের অবহিত করার বিধান রয়েছে। এই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাব দেখা গেলেও সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্ত হাতে আসার পর তারা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করতে বাধ্য হয়েছেন।
সদস্য লিটন মিয়া বলেন,আমরা চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার কাছে কোনো টাকা আসেনি। কিন্তু ব্যাংকের স্টেটমেন্টে দেখা যায়, তিনি ৩৫ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান এম. আর. মুজিব বলেন,সামনে নির্বাচন, আমার জনপ্রিয় ঈর্শ্বানিত হয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা ভিত্তিহীন এই অভিযোগ আনা হয়েছে। আবেদনকারীদের সব তথ্যই অসত্য। তিনি জানান, ৩৫ লাখ টাকা নয়, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা হয়ত তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজও ইতোমধ্যেই সম্পন্নও হয়েছে যার দালিলিক প্রমাণ উপজেলা প্রশাসনের কাছে ও আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনাস্থা প্রস্তাবটি আমার কাছে আসে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় আগামী রবিবার কার্য দিবসে প্রস্তাবটি জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে পাঠানো হবে।স্যারের নির্দেশক্রমে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন,আমি অনাস্থা প্রস্তাবটি এখনো হাতে পাইনি। প্রস্তাবটি হাতে পেলে তদন্তে এর সত্যতা পেলে অবশ্যই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar