1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাবা ও মাকে নিয়ে কিছু কথা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি পরিবর্তন: একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর খুলনায় মেসের ছাদে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও মৃত্যু: ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা: অপ্রতিমকে লাঠিপেটায় হত্যার ঘটনায় মূল আসামিরা গ্রেফতার ন্যাম ভবন থেকে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার গাজায় চলমান পরিস্থিতি ভয়াবহ ও অন্যায্য: ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ফের উৎপাদনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট সুন্দরবনের দূষণ হ্রাস ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নয়ন বিষয়ক শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি সঙ্গে ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাবা ও মাকে নিয়ে কিছু কথা

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭০ জন খবরটি পড়েছেন

মো: আরিফুল ইসলাম,
পাবনা জেলা প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মা আমাদের শরীর গঠন করেন, আর বাবা গঠন করেন আমাদের ভবিষ্যৎ। মায়ের গর্ভে ৯ মাসের আশ্রয়, আর বাবার কাঁধে চেপে ছিলাম বছরের পর বছর শুধু তাঁর শ্রম, ঘাম, দায়িত্বের উপর ভর করেই হাঁটতে শিখেছি জীবনের পথে।

মা প্রতিদিন বিনা বেতনে রান্না ঘরে কাজ করেন, আর বাবা মাসের শেষ কয়েনটাও আমাদের হাসির জন্য খরচ করে দেন। তবুও ভালোবাসার প্রকাশে মা যেনো রঙিন আকাশ,
আর বাবা হন সেই নীরব বাতাস, যার অস্তিত্ব টের পাই তখনই, যখন তিনি একটু কম থাকেন। মা আমাদের প্রিয় খাবার নিজের হাতে রান্না করেন, আর বাবা দোকান ঘুরে ঘুরে সেটা খুঁজে এনে দেন। কিন্তু কৃতিত্বটুকু দেন মায়েরই হাতে। মায়ের ভালোবাসা চোখে পড়ে, বাবার ভালোবাসা থাকে মাটির নিচে শিকড় হয়ে যা না দেখলেও বোঝা যায়, তাঁর কারণেই আমরা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছি।

ফোনে কথা বলার সময় প্রথমে মায়ের খোঁজ নিই, মায়ের কাঁধে কাঁদতে পারি, কিন্তু বাবা কেবল দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকেন চোখে হয়তো হাজার কথা, মুখে কোনো শব্দ নেই। সন্তান কষ্ট পেলে তিনিও কষ্ট পান, কিন্তু কষ্টের ভাষা কখনো শিখেননি তিনি। মায়ের আলমারিতে আছে রঙিন শাড়ি, বাচ্চাদের জামার আলমারি সাজানো, আর বাবার আলমারিতে সেই পুরোনো কিছু জামা যা কিনতে গিয়ে তিনি নিজের নতুন কিছু চাওয়া ভুলে গেছেন।

মায়ের গয়নার বাক্সে সোনা রুপা, আর বাবার আঙুলে বিয়ের সময়ের সেই একমাত্র আংটি যা কখনো খোলেন না, কারণ তাতেই জড়িয়ে আছে সব দায়িত্ব, প্রতিশ্রুতি। বাবা সকালে বের হন, রোদ, বৃষ্টি, ক্লান্তি উপেক্ষা করে ফিরে আসেন রাতে, শুধু সন্তানদের মুখ দেখেই প্রাণ ফিরে পান। শ্রান্ত মুখে থাকে তৃপ্তির হাসি, কারণ পরিবারের সুখটাই তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জন।

কখনো কোনো স্বীকৃতি চান না, চোখে জল আসলেও লুকিয়ে ফেলেন, কারণ তিনি জানেন বাবা কখনো কাঁদে না, বাবা ভেঙে পড়ে না, বাবাতো পাহাড়, মেরুদণ্ড, আশ্রয়। বয়সের ভারে একদিন তিনিও ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন সন্তান ভাবে, মা ঘরের কাজে সাহায্য করেন, কিন্তু বাবা আর কিছুই করতে পারেন না। কেউ ভাবে না, তিনিই তো একদিন সবকিছু করেছিলেন। বাবা যেন সেই বাতিঘর, যিনি নিজের আলোতে নয়, অন্যদের পথ দেখাতে নিজেকে পোড়ান।

তাই বলি, বাবা পিছিয়ে থাকেন না, তিনি সামনে আসেন না, কারণ তিনি জানেন, ভালোবাসা প্রমাণে নয়, দায়িত্বে প্রকাশ পায়। আর তিনিই সেই মানুষ, যিনি নীরব থেকেও পুরো সংসারটা আগলে রাখেন। “শ্রদ্ধা হোক বাবার প্রতি যে নীরব থেকে সবকিছু দেন, কিন্তু কিছুই কখনো চান না।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar