1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
জোবরার নারীরাই আমার শিক্ষক - চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন

জোবরার নারীরাই আমার শিক্ষক – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ১০৪ জন খবরটি পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস স্মরণ করলেন তাঁর শিক্ষকতা জীবনের সূচনা, জোবরা গ্রামের নারীদের থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা এবং একটি নতুন অর্থনীতির দর্শনের কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লেটারস (ডিলিট) ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

আজ বুধবার বিকেল তিনটা ছয় মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে স্থাপিত মঞ্চে বক্তৃতা শুরু করেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বলেন, ‘আমার সমস্ত ভাবনার বীজ বপন হয়েছে এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। কোনো দিন নোবেল পুরস্কার পাওয়া যাবে, এটা মনে আসেনি। তবে এর বড় অংশীদার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।’

অধ্যাপক ইউনূস ১৯৭২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন। তাঁর ভাষ্যে, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয় এবং পাশের গ্রাম জোবরায় কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

‘জোবরায় তখন কেউ মারা যায়নি, কিন্তু অবস্থা কাহিল ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় তো জ্ঞানের ভাণ্ডার, অথচ এই জ্ঞান পাশের গ্রামে পৌঁছায় না কেন—এই প্রশ্ন থেকেই আমার কাজ শুরু,’ বলেন তিনি।

তিনি বলেন, জোবরার নারীদের থেকে তিনি এমন এক অর্থনীতির ধারণা পেয়েছেন, যা প্রচলিত পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে মেলে না। ‘তাঁদের অনেকে নিজেদের নামও জানতেন না, কিন্তু সামান্য ঋণ পেয়ে নিজেদের জীবন পাল্টে দিয়েছেন। আমি এখান থেকেই বুঝেছি, ব্যবসাকেন্দ্রিক সভ্যতা আত্মঘাতী। আমাদের নতুন করে সভ্যতা গড়ে তুলতে হবে।’

অর্থনীতিতে মানবিক অধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, ঋণ মানবিক অধিকার। অনেকে উপহাস করেছিল। পরে দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানোর কথাও বলেছি। বিরোধিতা হয়েছে, তবু আমি থামিনি।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইউনূস বলেন, ‘পৃথিবীর ভবিষ্যৎ আমাদের নিজেদের হাতে। স্বপ্ন থাকতে হবে, আমরা কেমন সমাজ চাই, কেমন শিক্ষাব্যবস্থা চাই—তা বের করে আনতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য ইয়াহ্ইয়া আখতার তাঁর হাতে ডিলিট ডিগ্রির সনদ তুলে দেন। ইউনূসের বক্তব্যে উঠে আসে তাঁর জীবনের নানা বাঁক, যা শুরু হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar