1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
পাঁচ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিশ্চিহ্ন ১৮৪ পরিবার - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যক্তিত্বসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ার প্রত্যয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনদের সঙ্গে শাখা ছাত্রদল কসমস রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ আগুনফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে রাজশাহী বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণের পরও খাতা দেখার অভিযোগ রায়পুরায় বাস ও পুলিশের গাড়ির সংঘর্ষ, আহত রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের অভিযানে ৬ জন গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার যশোরে বাড়ির দেয়াল থেকে ককটেল উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক নেত্রকোণার দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ মিছিল আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন BUP-এর শিক্ষার্থী সাদাফ শ্যামনগর পৌরসভা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

পাঁচ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিশ্চিহ্ন ১৮৪ পরিবার

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৪ জন খবরটি পড়েছেন

বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

গত পাঁচ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮৪টি পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত আরও ১২টি ঘটনায় একই পরিবারের সব সদস্য নিহত হয়েছেন।

সম্প্রতি একের পর এক এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর এসেছে। সর্বশেষ ৮ মে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের নিমতলায় অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হন। দুই দিন আগে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া মহাসড়কে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে মারা যান একই পরিবারের তিনজন। গত ৩০ মার্চ ময়মনসিংহে বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারান এক পরিবারের চার সদস্য। এর আগে ২০২৩ সালের জুনে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মারা যান একই পরিবারের ছয়জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস এবং অ্যাম্বুলেন্সে একসঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণের প্রবণতা বাড়ায় এ ধরনের দুর্ঘটনা বাড়ছে। নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, সড়ক অবকাঠামো বিস্তৃত হওয়ায় পরিবারের সবাই একসঙ্গে ভ্রমণে বের হন, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষ চালক, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এসব দুর্ঘটনার মূল কারণ। অনেক দুর্ঘটনার পেছনে চালকের চোখে ঘুম বা অতিরিক্ত মানসিক চাপও দায়ী।

পরিসংখ্যান বলছে, চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের মৃত্যুও বাড়ছে। ২০১৯ সালে যেখানে ১ হাজার ১৯০ জন মারা গিয়েছিলেন, ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ১৮৮ জনে। যদিও সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী চালকদের দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করার কথা নয়, বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না।

বিআরটিএ জানায়, পরিবহন শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণে সরকারের সদিচ্ছা আছে। তবে মালিক-শ্রমিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

X