নরসিংদী প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
নরসিংদীর পলাশে এক যুবকের খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আজ শনিবার সকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মাঝেরচর গ্রামে একটি সালিশ বৈঠক শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে আশিক ভূঁইয়া (২০) নামের ওই যুবককে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানিয়েছেন, ক্ষুব্ধ জনতার দেওয়া আগুন ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার পারুলিয়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগের সাথে প্রতিবেশী রুহুল আমিনের হাতাহাতি হয়। এই বিরোধ মীমাংসার জন্য গতকাল বিকেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একটি সালিশ বৈঠকের ডাক দেন। কিন্তু নির্ধারিত স্থানে বিচারকদের জন্য অপেক্ষার মাঝেই আকস্মিক এই হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিছু বুঝে ওঠার আগেই পারুলিয়া গ্রামের সাগর ও সোহাগের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল আশিকের ওপর ছুরি নিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে রুহুল আমিন ও ইলিয়াস নামের আরও দুই যুবক গুরুতর আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশিককে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতদের মধ্যে রুহুল আমিন বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ইলিয়াস প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুই ভাই সাগর ও সোহাগ পলাতক রয়েছেন।