1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শ্যামনগরে খাল খনন শেষে পুনরায় মাছ ছেড়ে দখলের অভিযোগ - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবর রহমান ৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাসিরনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী রাজিব খানের গণসংযোগ বৃহৎ আকারে ‘কলমাকান্দা জামদানি পল্লী’ গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র : ডেপুটি স্পিকার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পাবনা জেলা প্রশাসক শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শ্যামনগরে নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্যোগে সাড়া প্রদান বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ

শ্যামনগরে খাল খনন শেষে পুনরায় মাছ ছেড়ে দখলের অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ৮৮ জন খবরটি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সরকারি খাল খননের পরে মাছ ছেড়ে পুনরায় প্রভাবশালী মহলের দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, খাল পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার কথা থাকলেও খননকাজ শেষ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালী খালের একটি অংশে অবৈধ বাঁধ দিয়ে দখল নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে, সুইডেন দূতাবাস ঢাকা’র অর্থায়নে সিএনআরএস-বিফরআরএল প্রকল্পের উদ্যোগে দৈর্ঘ্য ২.২ কিলোমিটার খালটি খনন করা হয়। প্রায় ২৫ একর কৃষি জমির মধ্যে খালটি বয়ে গেছে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ খালটি উন্মুক্ত থাকবে বলে আশা করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি খালের নির্দিষ্ট অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মাছের পোনা ছেড়ে খালের ভীতর কঞ্চি দিয়ে দখল করেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খালটি খনন করা হলে পূর্বের দখলকারী ইসাক আলী পাড়ের নেতৃত্বে তার সহযোগী সুশান্ত সরদার, অরুণ সরদার, দীপাঞ্জন মন্ডল সহ আরো কিছু ব্যক্তি স্থানীয় মানুষদের হুমকি দিয়ে খাল খনন শেষের একটি অংশে কিছু রুই জাতীয় মাছের পোনা ছেড়ে দেয়। সাথে সাথে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে। তারা শুকনো মৌসুমে কৃষি ফসল ফলাতে খালের পানিতে কৃষকদের ব্যবহার করতে দেয় না।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, মাটির নিচে লবনাক্ত পানি হওয়ার কারণে ও মিষ্টি পানির সংকট থাকায় কৃষকেরা বোরো মৌসুমীমে এই খালের পানির ওপর নির্ভর করে ফসল ফলায়। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমী কৃষি ফসলের মাঠের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম এই খাল। এই খালটি খনন করার জন্য খালের দু-পাড় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বিঘা কৃষি জমিতে মাটি ফেলা হয়েছে। খালের পানি সকলে ব্যবহার করতে পারবে বিধায় আমদের কৃষি জমি নষ্ট হলেও মাটি রাখতে দিয়েছি। খাল খননের সময় বলা হয়েছিল এটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে আবারও প্রভাবশালীরা দখল করে নিয়েছে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী খালটি দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তারা অবৈধ দখল ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

ইসহাক আলী পাড় এর ভাষ্য, কোটে একটি ইঞ্জেকশন আছে তার কাগজপত্র যতদিন রায়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি না হবে ততোদিন সম্পর্কের অবনতি যাতে না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখবো। এছাড়াও এ খালের মাছ বিক্রির আয় থেকে কিছু দলীয় ও একটি প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ যায়। তাছাড়া আমি ব্যক্তিগত কোন কাজে এই অর্থ ব্যবহার করি না। আইনের প্রক্রিয়া যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে আমাকে ১৫ দিন অথবা এক মাস সময় দিলে মাছ ধরে নিব।

ইউপি সদস্য দেবাশিষ গায়েন বলেন, উপজেলা প্রশাসন সহ স্থানীয় প্রশাসন ইউনিয়ন পরিষদ সকলের উদ্যোগে এই খালটি খনন করা হয়েছে। এ খালটি উন্মুক্ত রাখার জন্য আমরা সর্বাত্মক করণ চেষ্টা করছি। এই খাল দখলদারদের হাতে চলে গেলে এলাকার কৃষকগণ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে।

ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান বলেন, দখলের বিষয়টা জানতে পেরে সরজমিনে তদন্ত করে দেখি, সরকারি ভাবে খালটি খনন করার পরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা আবার দখল করে নিয়েছে। ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar