ফরিদ আহমেদ,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া,প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার আলোচিত যুবলীগ নেতা মো. সোহেল মিয়া ওরফে ‘টাইগার সোহেল’কে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার জিনোদপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, সোহেলের বিরুদ্ধে মারামারি, চাঁদাবাজি, মাদক ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আলোচনায় থাকা এই নেতার গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাবের বলয়ে থেকে দ্রুত উত্থান ঘটে সোহেলের। সাবেক সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিতি লাভের পাশাপাশি তিনি জিনোদপুর বাজার কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। মারামারি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও নারী কেলেঙ্কারির মতো ঘটনায় তার নাম বারবার সামনে আসে। একপর্যায়ে নিজেকে ‘টাইগার সোহেল’ নামে পরিচিত করেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, তার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল। গ্রেপ্তারের পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নবীনগর থানার ওসি মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেল একজন চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ও এর আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সোহেল মিয়া।