ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম বেড়েছে। সোমবার এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর পরই ব্রেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করার পর বাজারে অস্থিরতা আরও বেড়ে যায়। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে নিজেদের জবাব পাঠিয়েছে তেহরান।
ইরান যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আর কোনো হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা চেয়েছে। এর জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরানের প্রতিনিধিদের প্রতিক্রিয়া তার “একেবারেই পছন্দ হয়নি”।
এর পর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম বেড়ে প্রায় ৯৯ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়ায়।
বিশ্ব জ্বালানি বাজারে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালি ঘিরে। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে হয়ে থাকে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই রুট কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের শর্তগুলোর মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা এবং ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার বিষয়ও ছিল।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না।
তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে জ্বালানি কোম্পানিগুলোর আয়েও। সৌদি আরামকো জানিয়েছে, ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে তাদের আয় ২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।