1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
যশোরে বেলতলায় অপরিপক্ক হিমসাগর আমের ছড়াছড়ি - bdtelegraph24.com
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি পরিবর্তন: একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর খুলনায় মেসের ছাদে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও মৃত্যু: ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা: অপ্রতিমকে লাঠিপেটায় হত্যার ঘটনায় মূল আসামিরা গ্রেফতার ন্যাম ভবন থেকে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার গাজায় চলমান পরিস্থিতি ভয়াবহ ও অন্যায্য: ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ফের উৎপাদনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট সুন্দরবনের দূষণ হ্রাস ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নয়ন বিষয়ক শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি সঙ্গে ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ

যশোরে বেলতলায় অপরিপক্ক হিমসাগর আমের ছড়াছড়ি

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৫৯ জন খবরটি পড়েছেন

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘন ও উপজেলা প্রশাসনের ঘোষিত আম ক্যালেন্ডারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বেলতলা আম বাজারে অবাধে বিক্রি করছে জনপ্রিয় জাতের হিমসাগর আম।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের বেধে দেয়া নির্ধারিত সময়ের আগেই বাজারে ব্যাপকভাবে এসব আম কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে বিক্রি হওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে সাধারণ ক্রেতা ও সচেতন মহলের মধ্যে।বুধবার বিকালে সরেজমিনে বেলতলা আমবাজারে গিয়ে দেখা যায়, অধিক লাভের আশায় একশ্রেণির অসাধু আম ব্যবসায়ী ও কিছু চাষি অপরিপক্ক আমের হিমসাগর আম গাছ থেকে নামিয়ে বাজারজাত করছেন। বাজারে বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে হিমসাগর আম দেখা গেলেও অধিকাংশ আমই এখনও পুরোপুরি পরিপক্ক হয়নি। প্রতিদিন ভোর থেকে বেলতলা আম বাজারে ট্রাক, পিকআপ ও ভ্যানে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব আম আনা হচ্ছে। পরে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর আমের সুনাম ও গুণগত মান ধরে রাখতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নির্দিষ্ট সময়সূচি বা “আম ক্যালেন্ডার” ঘোষণা করে থাকে। সেই ক্যালেন্ডারে কোন জাতের আম কখন গাছ থেকে নামানো যাবে তা নির্ধারণ করা হয়। এবছর গোবিন্দভোগ বোম্বাইসহ দেশি জাতের আম বাজারজাতকরণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ মে, হিমসাগর আম, ১৭ মে, লেংড়া ২৮ মে, আম্রপালি-মল্লিকা ৬ জুন থেকে বাজারজাত করা যাবে। কিন্তু বাস্তবে অনেক ব্যবসায়ী সেই নির্দেশনা মানছেন না। বেশি দামে বিক্রির সুযোগ নিতে আগেভাগেই অপরিপক্ক আম বাজারে তোলা হচ্ছে।

বাজারে আম কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, বাইরে থেকে দেখতে আকর্ষণীয় হলেও অনেক আমে স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু আম কাটার পর ভেতরে কাঁচা ও শক্ত দেখা যাচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অপরিপক্ক আম বাজারজাতের ফলে শুধু ক্রেতারাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না, বরং এলাকার বিখ্যাত আমের সুনামও নষ্ট হচ্ছে। অনেক সময় দ্রুত পাকানোর জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্যামিকেল ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

বেলতলা আম বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী অবশ্য দাবি করেছেন, বাজারের চাহিদা ও প্রতিযোগিতার কারণেই আগাম আম উঠছে। তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আগেই আম নিতে আসছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা বেশি দামের আশায় আগাম আম সংগ্রহ করছেন।

এব্যাপারে শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার সাহা জানান, আম ক্যালেন্ডার নির্দেশনা উপেক্ষার সুযোগ নেই। স্থানীয় আম ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। তবে যদি কোন গাছের আম আগাম পরিপক্ব হয়, সেক্ষেত্রে উপ-কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যায়ন নিয়ে বাজারজাত করতে পারবেন। এসময় বেলতলা আম বাজারে নির্ধারিত সময়ের আগে অপরিপক্ক হিমসাগর আম ছড়াছড়ি কেন? এবিষয়ে আপনার পদক্ষেপ কি?. জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোনটা কেটে দেন।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদের বক্তব্য নেয়ার জন্য তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সচেতন মহল মনে করছে, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও চাষি-ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বাড়ানো না গেলে যশোর অঞ্চলের বিখ্যাত আমের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি ভোক্তার আস্থাও কমে যেতে পারে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar