1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
পীরগঞ্জে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে প্রিজারভেটিভ দেওয়া ফল - bdtelegraph24.com
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি পরিবর্তন: একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর খুলনায় মেসের ছাদে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও মৃত্যু: ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা: অপ্রতিমকে লাঠিপেটায় হত্যার ঘটনায় মূল আসামিরা গ্রেফতার ন্যাম ভবন থেকে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার গাজায় চলমান পরিস্থিতি ভয়াবহ ও অন্যায্য: ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ফের উৎপাদনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট সুন্দরবনের দূষণ হ্রাস ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নয়ন বিষয়ক শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি সঙ্গে ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ

পীরগঞ্জে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে প্রিজারভেটিভ দেওয়া ফল

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৩ জন খবরটি পড়েছেন

সাকিব আহসান
প্রতিনিধি,পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন ফলের দোকানে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণে রাখা ও অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ থাকা ফল প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সাজানো রঙিন ফল দেখে ক্রেতারা আকৃষ্ট হলেও এসব ফল কতদিন ধরে সংরক্ষিত, কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ এই নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। ছবিতে শহরের একটি ফলের দোকানে বিভিন্ন ধরনের ফল সাজিয়ে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মৌসুমি ও আমদানি করা বিভিন্ন ফল দীর্ঘদিন সতেজ দেখাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মাত্রায় সংরক্ষণকারী রাসায়নিক ব্যবহার করতে পারেন। অনেক সময় ফলের স্বাভাবিক রং ও উজ্জ্বলতা অক্ষুণ্ন থাকলেও ভেতরে পচন শুরু হতে পারে। আবার কিছু ফল অস্বাভাবিকভাবে শক্ত ও চকচকে দেখালেও স্বাদ ও গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন থাকে।
একজন স্থানীয় ক্রেতা বলেন, “দোকানে ফল দেখতে ভালো লাগলেও কোন ফল কখন বাজারে এসেছে, সেটি বোঝার উপায় নেই। আমরা পরিবার ও শিশুদের জন্য ফল কিনি। তাই বিক্রির আগে ফলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার।”
আরেক ক্রেতা বলেন, “ফলের দাম কম-বেশি হওয়া নিয়ে আমরা দরদাম করি, কিন্তু রাসায়নিক দেওয়া হয়েছে কি না তা যাচাই করার সুযোগ নেই। বাজারে নিয়মিত পরীক্ষা হলে সাধারণ মানুষ কিছুটা নিশ্চিন্ত হতে পারত।”

ফল ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ অবশ্য অভিযোগটি পুরোপুরি মানতে নারাজ। তাদের দাবি, ফল দীর্ঘ সময় ভালো রাখতে বাজারজাতকরণ ও পরিবহনের সময় বিভিন্ন অনুমোদিত সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। তবে কোন রাসায়নিক কত মাত্রায় ব্যবহার করা হচ্ছে, সে বিষয়ে ভোক্তাদের জানানো হয় না।
একজন ফল বিক্রেতা বলেন, “আমরা আড়ত থেকে যে ফল পাই, সেটিই বিক্রি করি। ফলের মধ্যে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, তা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা আমাদের নেই। প্রশাসন যদি নিয়মিত পরীক্ষা করে, তাহলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতা দুই পক্ষই উপকৃত হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, শুধু অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ফলের পাইকারি আড়ত থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক ফলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা, পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
একজন স্থানীয় সমাজকর্মী বলেন, “ভোক্তাদের সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনের নিয়মিত বাজার তদারকি দরকার। শুধু ফলের দোকানে অভিযান চালালে হবে না; ফল কোথা থেকে আসছে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, সেটিও দেখতে হবে।”

স্থানীয় স্বাস্থ্যসচেতন বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, বাজারে ফলের পাশে অনেক সময় উৎস, সংগ্রহের তারিখ কিংবা সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকে না। ফলে ভোক্তা নিজের চোখে ফলের বাহ্যিক অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। এতে ভেজাল বা অনিরাপদ ফল চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাদের মতে, দোকানিদের প্রশিক্ষণ, ফল সংরক্ষণের স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা এবং বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বাড়ানো গেলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতাদেরও অস্বাভাবিক সস্তা বা দীর্ঘদিন একই রকম সতেজ থাকা ফল কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। শিশুদের জন্য ফল কেনার সময়।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হলে অনিরাপদ ফল বিক্রির প্রবণতা কমতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বাজারে ফলের দৃশ্যমান সৌন্দর্যের চেয়ে খাদ্য নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফল কেনার আগে অতিরিক্ত চকচকে, অস্বাভাবিক রঙের বা অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘদিন সতেজ থাকা ফলের বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। ফল ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া জরুরি হলেও শুধু ধোয়ার ওপর নির্ভর না করে নিরাপদ উৎস থেকে ফল কেনাই সবচেয়ে কার্যকর। পীরগঞ্জের বাজারে নিয়মিত নজরদারি ও পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু হলে ভোক্তাদের আস্থা বাড়বে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পথও শক্তিশালী হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar