1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
পীরগঞ্জের বাজারে ‘অদৃশ্য’ মূল্য তালিকা: আইন অমান্য করে চলছে কসমেটিকস ও কাপড়ের ব্যবসা - bdtelegraph24.com
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি পরিবর্তন: একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর খুলনায় মেসের ছাদে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও মৃত্যু: ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা: অপ্রতিমকে লাঠিপেটায় হত্যার ঘটনায় মূল আসামিরা গ্রেফতার ন্যাম ভবন থেকে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার গাজায় চলমান পরিস্থিতি ভয়াবহ ও অন্যায্য: ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ফের উৎপাদনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট সুন্দরবনের দূষণ হ্রাস ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নয়ন বিষয়ক শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি সঙ্গে ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ

পীরগঞ্জের বাজারে ‘অদৃশ্য’ মূল্য তালিকা: আইন অমান্য করে চলছে কসমেটিকস ও কাপড়ের ব্যবসা

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৫ জন খবরটি পড়েছেন

সাকিব আহসান
প্রতিনিধি,পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ঢাকাইয়াপট্টি মার্কেটে কসমেটিকস ও কাপড়ের দোকানে পণ্যের দাম নির্ধারণ ও বিক্রয় প্রক্রিয়ায় বড় ধরণের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনেক ব্যবসায়ী দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা রাখছেন না এবং কেনাকাটার পর ক্রেতাদের বৈধ ক্যাশ মেমো দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন, যা সরাসরি প্রচলিত আইনের লঙ্ঘন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিটি দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখা এবং বিক্রির সময় রশিদ দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও পীরগঞ্জের এই বাজারে চিত্রটি ভিন্ন। অনেক ক্ষেত্রে দোকানিরা ‘মেমো শেষ’ বা ‘পাইকারি দোকান’—এমন নানা অজুহাতে ক্রেতা ও তদারকি সংস্থাকে তথ্য দিতে অসহযোগিতা করছেন।

স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ, কসমেটিকস ও কাপড়ের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্যের তুলনায় অনেক সময় কয়েক গুণ বেশি দাম আদায় করা হচ্ছে। আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, অযৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। আমদানিকৃত কসমেটিকস বা দেশীয় পোশাকের ক্ষেত্রে শুল্ক, ভ্যাট ও পরিবহন খরচ মিলিয়ে একটি ‘যুক্তিসংগত’ মুনাফার সুযোগ থাকলেও, ঢাকাইয়াপট্টি মার্কেটের অনেক দোকানেই তা মানা হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সাংবাদিক বা তদারকি কর্মকর্তারা ক্রয়মূল্যের রশিদ দেখতে চাইলে অনেক ব্যবসায়ী তা প্রদর্শন করতে অনীহা প্রকাশ করেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সরাসরি তদন্ত কাজে বাধা দেওয়ার শামিল, যার জন্য ধারা ৪৫ অনুযায়ী এক বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

এছাড়া, মূল্য তালিকা না রাখা বা ক্যাশ মেমো না দেওয়ার অপরাধে ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতারণামূলক আচরণের জন্য সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা জরিমানাসহ জেল খাটার ঝুঁকি থাকলেও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা বা ভয়ের অভাব স্পষ্ট।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান ছাড়া এই দীর্ঘদিনের অনিয়ম বন্ধ করা কঠিন। কেবল উৎসবের সময় নয়, সারা বছরই খুচরা বাজারে এই আইনগত বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যথায় সাধারণ ভোক্তারা প্রতিনিয়ত আর্থিক প্রতারণার শিকার হতেই থাকবেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar