1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কালের স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে শ্যামগ্রামের কিংবদন্তি ‘লেবু হাউলাই’র মিষ্টির দোকান - bdtelegraph24.com
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের ছুটি পরিবর্তন: একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর খুলনায় মেসের ছাদে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও মৃত্যু: ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইফোন ছিনতাইয়ে বাধা: অপ্রতিমকে লাঠিপেটায় হত্যার ঘটনায় মূল আসামিরা গ্রেফতার ন্যাম ভবন থেকে জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার গাজায় চলমান পরিস্থিতি ভয়াবহ ও অন্যায্য: ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ফের উৎপাদনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট সুন্দরবনের দূষণ হ্রাস ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নয়ন বিষয়ক শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি সঙ্গে ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ

কালের স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে শ্যামগ্রামের কিংবদন্তি ‘লেবু হাউলাই’র মিষ্টির দোকান

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮৫ জন খবরটি পড়েছেন

ফরিদ আহমেদ , ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম বাজারের একসময়ের বিখ্যাত মিষ্টির দোকান—কিংবদন্তি কারিগর ‘লেবু হাউলাই’র সেই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান আজ কালের স্রোতে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ ছুটে আসতেন তাঁর তৈরি মিষ্টির স্বাদ নিতে, আর এখন সেই গৌরবময় অতীতই কেবল স্মৃতিতে বেঁচে আছে।

স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্যমতে, লেবু হাউলাই ছিলেন পেশায় একজন ময়রা, কিন্তু তাঁর পরিচয় ছিল স্বাদের এক অনন্য শিল্পী হিসেবে। ছানা তৈরি, চিনির নিখুঁত অনুপাত এবং জ্বালের সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণে তাঁর দক্ষতা ছিল অসাধারণ। বিশেষ করে তাঁর তৈরি সন্দেশ ও রসগোল্লা ছিল স্বাদে অতুলনীয় এবং দীর্ঘ সময় সতেজ থাকত।

একসময় শ্যামগ্রাম বাজারে তাঁর দোকান ছিল ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর। আশপাশের উপজেলা ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও মানুষ তাঁর দোকানে মিষ্টি নিতে আসতেন। বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা জমিদার বাড়ির আপ্যায়নে লেবু হাউলাইয়ের মিষ্টি ছিল অন্যতম আকর্ষণ। তাঁর দোকান ঘিরে গড়ে উঠেছিল এক বিশেষ লোকঐতিহ্য।

‘হাউলাই’ উপাধিটি তিনি পেয়েছিলেন মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকে। সাধারণ কারিগর হয়েও তিনি সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন। খাঁটি দুধ ও উন্নতমানের উপকরণ ব্যবহার করে সম্পূর্ণ কায়িক শ্রমে, কাঠের জ্বালানিতে তৈরি করতেন মিষ্টি—যার মান ছিল অনন্য।

বর্তমানে সময়ের পরিবর্তনে সেই ঐতিহ্য অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। আধুনিক মিষ্টির দোকানের প্রতিযোগিতা, যান্ত্রিক উৎপাদন এবং পরিবর্তিত জীবনযাত্রার কারণে আগের সেই জৌলুস আর নেই। তবে সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যায়নি ঐতিহ্যটি—লেবু হাউলাইয়ের নাতি-নাতনিরাই এখনো সীমিত পরিসরে দোকানটি পরিচালনা করছেন এবং পূর্বপুরুষের সেই স্বাদ ও সুনাম ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও সংরক্ষণ উদ্যোগ থাকলে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি আবারও আগের অবস্থানে ফিরতে পারে। তাদের মতে, এটি শুধু একটি দোকান নয়, বরং শ্যামগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

লেবু হাউলাই হয়তো আজ নেই, কিন্তু তাঁর উত্তরসূরিদের হাত ধরে তাঁর ঐতিহ্য এখনো টিকে আছে—সময়ের সাথে লড়াই করে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar