নিউজ ডেস্ক।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও আমদানি ব্যয় বেড়েছে উল্লেখ করে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১০ টাকা বাড়ানোর আবেদন করেছে ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের দেওয়া প্রস্তাবের পর গত সপ্তাহে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক হলেও সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা শেষ হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনায় রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে আবারও আলোচনা করা হবে।
ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অনুযায়ী, এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০৯ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতলের দাম ১ হাজার ১৫ টাকা নির্ধারণের আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮৮ টাকা এবং খোলা পাম তেলের দাম ১৮৩ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য, ডলারের বিনিময় হার ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান দামে তেল বিক্রি করে দীর্ঘদিন ধরে লোকসান গুনতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেল আমদানি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা কঠিন হবে বলেও তারা উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে বাজার বিশেষজ্ঞরা এই যুক্তির সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, ভোজ্যতেলের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়বে এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাতেও এর প্রভাব পড়বে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে তার সুফল ভোক্তারা পান না। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে তা সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।